back to top

শুল্কমুক্ত সুবিধায় আনা ৩১ বিলাসবহুল গাড়ি হস্তান্তরের নির্দেশ

প্রকাশিত: ১২ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:৫৪

বিলুপ্ত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ সদস্যদের জন্য আমদানি করা ৩১টি গাড়ি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তরের নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

এসব গাড়ি এতদিন খালাসের অপেক্ষায় ছিল। এখন গাড়িগুলোকে সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরে হস্তান্তরের নির্দেশনা দেওয়া হলো।

বুধবার এক বিশেষ আদেশে এনবিআর জানায়, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত হওয়ার পরও সংসদ সদস্যদের জন্য ‘বিশেষ শুল্কমুক্ত’ সুবিধায় আমদানি করা ওই গাড়িগুলো খালাসের ক্ষেত্রে শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রযোজ্য হবে কিনা জানতে চেয়ে সম্প্রতি চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস এনবিআর কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা চায়।

২০২৪ সালের ৮ ডিসেম্বর এনবিআর জানিয়েছিল, আমদানি করা ওই গাড়িগুলো খালাসের ক্ষেত্রে শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রযোজ্য হবে না এবং আমদানিকারকরা স্বাভাবিক হারে শুল্ক-কর পরিশোধ করে গাড়িগুলো খালাস করতে পারবেন।

ওই ৩১টি গাড়ির শুল্ক-করের পরিমাণ ২৬৯ কোটি ৬১ লাখ ৮৯ হাজার ৬০০ টাকা।

বিলাসবহুল প্রতিটি গাড়ির জন্য এই শুল্ক-করের সর্বোচ্চ পরিমাণ নয় কোটি ৪৪ লাখ ৮৩ হাজার ৩০০ টাকা এবং সর্বনিম্ন শুল্ক-করের পরিমাণ আট কোটি ৬২ লাখ ৬৭ হাজার ৪০০ টাকা।

এনবিআরের নির্দেশনা অনুযায়ী, গত প্রায় এক বছরেও শুল্ক-কর পরিশোধ করে ওই গাড়িগুলো আমদানিকারকেরা কাস্টমস থেকে খালাস না করায়, কাস্টমস আইন অনুযায়ী সেগুলো নিলামে তোলা হয়।

তবে সেখানেও কোনো ক্রেতা যৌক্তিক দাম না বলায় সেগুলো নিলামে বিক্রি করার পরিবর্তে জনস্বার্থে যথাযথ ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেয় মন্ত্রণালয়। এরপরই এই ‘অতি মূল্যবান’ গাড়িগুলো জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তরের জন্য এই বিশেষ আদেশ জারি করা হলো।

আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় বলা হয়, সংশ্লিষ্ট গাড়ির আমদানিকারক ভবিষ্যতে যদি প্রযোজ্য শুল্ক ও কর পরিশোধ করে গাড়িগুলো আইনানুগ পদ্ধতিতে খালাস করতে চায় তাহলে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস যথাযথ বিধি ও আদেশ মেনে তা খালাস করতে পারবে।

এক্ষেত্রে গাড়িগুলো সরকারি যানবাহন অধিদপ্তর কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে ফেরত দেবে।