অপরাজিত থেকেই ২০২৬ বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করেছে স্পেন। মঙ্গলবার সেভিয়ায় শেষ বাছাইপর্বের ম্যাচে তুরস্কের সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করেই গ্রুপ ‘ই’-এর শীর্ষে থেকে বিশ্বকাপ নিশ্চিত করে লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল।
তুরস্ক হয়েছে গ্রুপের রানার্স-আপ এবং খেলবে প্লে-অফে।
ম্যাচের শুরুতেই ডানি ওলমোর গোলে এগিয়ে যায় স্বাগতিক স্পেন। কিন্তু প্রথমবারের মতো বাছাইপর্বে গোল হজম করে তারা পিছিয়ে পড়ে। তুরস্কের হয়ে দুটি গোল করেন ডেনিজ গুল এবং সালিহ ওজকান।
শেষদিকে মিকেল ওয়ারিয়াজাবালের সমতাসূচক গোল স্পেনকে রক্ষা করে নিশ্চিত হার এড়াতে। স্পেন পুরো কোয়ালিফায়ারে ২১ গোল করেও হজম করেছে মাত্র দুটি।
এই নিয়ে টানা ৩১ ম্যাচ ধরে অপরাজিত থাকল স্পেন, যা ফুটবল ইতিহাসে এক নতুন রেকর্ড। তবে ম্যাচে বেশ কয়েকজন নিয়মিত তারকাকে পাচ্ছিল না স্পেন।
চোটের কারণে দল থেকে ছিটকে যান বার্সেলোনার তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামাল, নিকো উইলিয়ামস এবং মিডফিল্ডার রদ্রি। কোচ দে লা ফুয়েন্তে জানান, সেরা দল নিয়ে বিশ্বকাপে নামতে তিনি এখনই প্রস্তুতি শুরু করতে চান।
ম্যাচ শুরুর মাত্র চার মিনিটেই ম্যার্ক কুকুরেলার ক্রস থেকে চমৎকার নিয়ন্ত্রণে গোল করেন ওলমো। এরপর আরও দুই বার লম্বা শটে গোলের চেষ্টা করলেও তুর্কি গোলরক্ষক অলতাই বায়ানদির দারুণ সেভে বেঁচে যায় দলটি।
বিরতির আগে কর্নার থেকে গোল করে ম্যাচে সমতা ফেরান গুল। দ্বিতীয়ার্ধে দুর্দান্ত শুরু করে দুই দলই্ পরে ওজকানের জোরালো শটে এগিয়েও যায় অতিথিরা।
শেষ পর্যন্ত ওয়ারিয়াজাবালের গোল স্পেনকে ড্র এনে দেয়। বদলি হিসেবে নেমে সুযোগ তৈরি করেন সামু এগে হোভা, কিন্তু অল্পের জন্য গোল পাননি; বায়ানদির ঠেকিয়ে দেন আরও কয়েকটি নিশ্চিত সুযোগ।
ইনজুরি টাইমে বার্সেলোনার ফারমিন লোপেজ গোল পেয়েছিলেন বটে, তবে অফসাইডের কারণে তা বাতিল হয়।
ম্যাচ শেষে স্পেন মিডফিল্ডার মার্কোস ইয়োরেন্তে বলেন, ‘এই অর্জনের পেছনে সবার কঠোর পরিশ্রম আছে। বিশ্বকাপ নিশ্চিত করাটা আমাদের জন্য এক বিশেষ মুহূর্ত।’

