সেনেগালের বিপক্ষে দুর্দান্ত খেলার দুদিন পর তিউনিসিয়ার সঙ্গে ম্রিয়মান পারফরম্যান্স ব্রাজিলের। মঙ্গলবার ফ্রান্সের লিলেতে প্রীতি ম্যাচে ১-১ গোলে ড্র করেছে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।
১৮ বছর বয়সী ইন-ফর্ম ফরোয়ার্ড এস্তেভাও পেনাল্টি থেকে গোল করে ব্রাজিলকে সমতায় ফেরালেও জয়ের সুযোগ নষ্ট করেছেন লুকাস পাকেতা—শেষ দিকে পাওয়া গুরুত্বপূর্ণ একটি পেনাল্টি তিনি বারের উপর দিয়ে পাঠান।
দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের বাছাইপর্বে পঞ্চম হয়ে শেষ করা ব্রাজিল গত মাসেই জাপানের কাছে ৩-২ গোলে হেরেছিল।
এর পরও আনচেলোত্তি তিউনিসিয়ার বিপক্ষে চার ফরোয়ার্ড নিয়ে শক্তিশালী দলই নামান—মাতেউস কুনহা, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, রদ্রিগো ও এস্তেভাও।
কিন্তু ম্যাচের ২০ মিনিটের মাথায় চমৎকার এক পাসে আলি আবদির তৈরি করা সুযোগ কাজে লাগিয়ে হাজেম মাস্তৌরি গোল করেন—১-০ তিউনিসিয়া।
হাফটাইমের ঠিক আগে VAR হ্যান্ডবলের সিদ্ধান্ত দিলে ব্রাজিল পায় পেনাল্টি। স্পটকিক থেকে এস্তেভাও সহজেই গোল করেন—এটি ছিল তার পঞ্চম আন্তর্জাতিক গোল।
৭৮ মিনিটে আবারও পেনাল্টি পায় ব্রাজিল। কিন্তু এবার বল হাতে নেন বদলি পাকেতা, আর সেখানেই ঘটে বিপত্তি—তার শট উড়াল দিয়ে বেরিয়ে যায় বার ছাড়িয়ে।
শেষ মুহূর্তে এস্তেভাও পড়ে গেলে ব্রাজিল তৃতীয় পেনাল্টি দাবি করলেও VAR রিভিউ শেষে রেফারি সিদ্ধান্ত অপরিবর্তিত রাখেন।
ম্যাচের পর কেন তিনি নেননি, তা পরিষ্কার করেছেন এস্তেভাও নিজেই। এস্তেভাও জানান, শেষ পেনাল্টিটি নিতে তিনি প্রস্তুত ছিলেন, কিন্তু বেঞ্চ থেকে নির্দেশ আসে অন্য কারও নেওয়ার।
“এটা ছিল নির্দেশ… ওদিক থেকে অর্ডার আসায় আমি দৃশ্যটা মেনে নিয়েছি। আমি পেনাল্টি নিতে চেয়েছিলাম, কিন্তু নির্দেশ যেহেতু এসেছিল, তাই সতীর্থকে দিয়ে দিয়েছি।”
এস্তেভাও আরও বলেন,“আমি সতীর্থকে সমর্থন করেছি। ভুল হতেই পারে, আমাদের আরও অনুশীলন করতে হবে।”
বিশ্বকাপ সামনে—সুযোগ কাজে লাগানোর কথা বললেন এস্তেভাও “বিশ্বকাপে সুযোগ পেলে কাজে লাগাতে হয়।”
“এটা বিশেষ একটি বছর ছিল—উত্থান–পতন আছে, কিন্তু আমি সব সামলে এগোচ্ছি।”

