back to top

ভূমিকম্পে চট্টগ্রামসহ ৭ বিদ্যুৎকেন্দ্র ও ঘোড়াশাল সাবস্টেশন বন্ধ

প্রকাশিত: ২১ নভেম্বর, ২০২৫ ১১:৪৩

সারাদেশে শুক্রবার সকালে অনুভূত হওয়া শক্তিশালী ভূমিকম্পের কারণে চট্টগ্রামসহ দেশের সাতটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। একইসঙ্গে নরসিংদীর ঘোড়াশাল গ্রিড সাবস্টেশনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাও ঘটেছে।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতরের মতে, রিখটার স্কেলে ৫.৭ মাত্রার এই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল নরসিংদীর মাধবদীতে। তবে মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) এর মাত্রা ৫.৫ বলে উল্লেখ করেছে।

ভূমিকম্পের পরপরই সামিটের ৩৪১ মেগাওয়াটের বিবিয়ানা-২ কেন্দ্র, বিপিডিবির ৪০০ মেগাওয়াটের বিবিয়ানা-৩, চট্টগ্রামের এসএস পাওয়ারের ৬০০ মেগাওয়াটের একটি ইউনিট এবং সিরাজগঞ্জের ২২৫ মেগাওয়াট কেন্দ্রের ৭৫ মেগাওয়াটের একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়।

এছাড়া আশুগঞ্জের ২২৫ মেগাওয়াট, ৫৫ মেগাওয়াট এবং ৫০ মেগাওয়াটের আরও তিনটি ইউনিটও স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ (ট্রিপ) হয়ে যায়।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) জানিয়েছে, বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো ছাড়াও নরসিংদীর ঘোড়াশালের এআইএস গ্রিড সাবস্টেশনে আগুন লাগে।

এর ফলে সাবস্টেশনটির ২৩০ কেভি, ১৩২ কেভি এবং ৩৩ কেভি লাইনগুলো বর্তমানে বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় রয়েছে। এতে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায় সাময়িক বিঘ্ন ঘটে।

বিপিডিবির জনসংযোগ পরিচালক শামীম হাসান এক বার্তায় জানান, ভূমিকম্পের কারণে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থায় যে বিঘ্ন ঘটেছে, তা স্বাভাবিক করতে কাজ চলছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আরও কিছু কেন্দ্র বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা থাকলেও বিদ্যুতের চাহিদা কম থাকায় বড় ধরনের লোডশেডিংয়ের সম্ভাবনা কম।

তবে বন্ধ হয়ে যাওয়া কেন্দ্রগুলো পুনরায় চালু করতে কিছুটা সময় লাগবে।

এদিকে, ভূমিকম্পের কারণে রাজধানীতে তিনজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে কিছু ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও জানা গেছে।