back to top

ছোট সাজ্জাদকে রাজশাহী কারাগারে আর বউ তামান্নাকে সরানো হলো ফেনী

প্রকাশিত: ২৫ নভেম্বর, ২০২৫ ১১:১৯

কারাগারে বসে অপরাধ জগত নিয়ন্ত্রণের ঘটনায় কারাবন্দী চট্টগ্রামের আলোচিত সন্ত্রাসী ছোট সাজ্জাদ ও তার স্ত্রীকে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে স্থানান্তর করা হয়েছে।

এরমধ্যে সন্ত্রাসী সাজ্জাদ হোসেন ওরফে ছোট সাজ্জাদকে রাজশাহী এবং তার স্ত্রী তামান্না শারমীনকে ফেনী কারাগারে স্থানান্তর করা হয়।

সপ্তাহ খানেক আগে সাজ্জাদ ও তার স্ত্রীকে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে স্থানান্তর করা হলেও বিষয়টি জানাজানি হয় সোমবার রাতে।

এর আগে কঠোর নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা রক্ষা করে তাদের দুই কারাগারে পাঠানো হয়। দুজনকে স্থানান্তর করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারা কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার ইকবাল হোসেন বলেন, সাজ্জাদকে রাজশাহী ও তার স্ত্রীকে ফেনী পাঠানো হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের জামালের ছেলে সাজ্জাদ হোসেন নগরীর বায়েজিদ, অক্সিজেন, চান্দগাঁও এলাকায় ‘ছোট সাজ্জাদ’ বা ‘বুড়ির নাতি’ হিসেবে পরিচিত। এ ‘ছোট সাজ্জাদ’ হলেন হুলিয়া নিয়ে বিদেশে পালিয়ে থাকা সাজ্জাদ হোসেনের অনুসারী।

দুই যুগ আগে চট্টগ্রাম শাহ আমানত সেতুর সংযোগ সড়কে দিনের বেলায় আড়াআড়ি বাস রেখে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীবাহী মাইক্রোবাস আটকে গুলি চালিয়ে আটজনকে হত্যার আসামি ছিলেন সাজ্জাদ হোসেন।

তার অনুসারী হিসেবে তার পক্ষে বায়েজিদ ও চান্দগাঁও এলাকায় চাঁদাবাজি করেন ছোট সাজ্জাদ।

গত ১৫ মার্চ ঢাকার বসুন্ধরা সিটি শপিংমল থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। চট্টগ্রামে প্রকাশ্যে বিভিন্ন খুন, ফেইসবুক লাইভে এসে চট্টগ্রামের বায়েজিদ থানার ওসিকে পেটানোর হুমকিসহ নানা কারণে আলোচিত ছিল ছোট সাজ্জাদ।

সম্প্রতি চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় চট্টগ্রামে ডাবল মার্ডারসহ একের পর এক হত্যাকাণ্ডে নাম জড়ায় সাজ্জাদ হোসেন ও তার বাহিনীর।

সবশেষ ৫ নভেম্বর সরোয়ার হোসেন বাবলা খুনের পর ফের আলোচনায় উঠে আসে ছোট সাজ্জাদের নাম।

তবে এর আগে গত ১৫ মার্চ ঢাকা থেকে ছোট সাজ্জাদকে গ্রেপ্তারের পর ফেইসবুক লাইভে কাড়ি কাড়ি টাকা দিয়ে সাজ্জাদকে ছাড়িয়ে আনা, বিরোধী পক্ষকে হুমকি দেওয়াসহ নানা কারণে আলোচনায় আসে তার স্ত্রী তামান্না।

গত ১০ মে জোড়া খুনের মামলায় তামান্নাকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ।

এছাড়া বর্তমানে সাজ্জাদের বাহিনীর রায়হান, ইমনসহ তার সহযোগী সন্ত্রাসীরা সবাই ধরাছোঁয়ার বাইরে। অক্ষত আছে তাদের অস্ত্র ভাণ্ডারও। সাজ্জাদ বর্তমানে এক ডজন মামলার আসামি।