back to top

বায়ার্নকে প্রথম হারের তেতো স্বাদ দিয়ে শীর্ষে আর্সেনাল

প্রকাশিত: ২৭ নভেম্বর, ২০২৫ ০৬:৪৩

আগের চার ম্যাচেই জিতেছিল আর্সেনাল ও বায়ার্ন মিউনিখ। দুই দলের মুখোমুখি দেখায় প্রথমার্ধে লড়াইও হলো সমানে সমান।

তবে বিরতির পর তা একপেশে করে ফেলল গানার্সরা। তাতে বায়ার্নকে উড়িয়ে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে উঠল মিকেল আর্তেতার দল।

বুধবার (২৬ নভেম্বর) রাতে ঘরের মাঠ এমিরেটস স্টেডিয়ামে ৩-১ গোলে জিতেছে আর্সেনাল।

ম্যাচে ইউরিয়েন টিম্বার আর্সেনালকে এগিয়ে নেয়ার পর সমতা টানেন লেনার্ট কার্ল। দ্বিতীয়ার্ধে ননি মাদুয়েকের গোলে স্বাগতিকরা দ্বিতীয়বার এগিয়ে যাওয়ার পর ব্যবধান বাড়ান গাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি।

ম্যাচে বল পজিশনে বায়ার্ন এগিয়ে থাকলেও আক্রমণে আধিপত্য বিস্তার করেছে আর্সেনাল। আর্তেতার দলের ১৪ শটের ৮টি ছিল লক্ষ্যে।

আর ভেসো কম্পানির দল ৬টি শট নিয়ে লক্ষ্যে রাখতে পারে কেবল ২টি। তাতে চলতি মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে প্রথম হারের তেতো স্বাদ পেল বায়ার্ন।

এদিকে ইউরোপিয়ান লিগের এবারের মৌসুমে একমাত্র দল হিসেবে প্রথম পাঁচ ম্যাচের সবকটি জিতে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে চূড়ায় এখন আর্সেনাল। সমান ম্যাচে ৪ জয়ে ১২ পয়েন্ট করে নিয়ে পরের চারটি স্থানে যথাক্রমে আছে পিএসজি, বায়ার্ন, ইন্টার মিলান, ও রিয়াল মাদ্রিদ।

বল দখলে বায়ার্ন শুরু থেকে এগিয়ে থাকলেও বারবার তাদের রক্ষণে হানা দিচ্ছিল আর্সেনাল। ২২তম মিনিটে সেট পিস থেকে গোল করে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা।

বুকায়ো সাকার কর্নারে লাফিয়ে হেডে জালে বল পাঠান ডাচ ডিফেন্ডার টিম্বার। জবাব দিতে অবশ্য বেশি সময় লাগেনি বায়ার্নের।

৩২তম মিনিটে চমৎকার দলীয় নৈপুণ্যে সমতায় ফেরে জার্মান জায়ান্টরা। মাঝমাঠ থেকে জসুয়া কিমিখের উঁচু করে বাড়ানো বল বক্সে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে পেনাল্টি স্পটের কাছে পাঠান সের্গে জিনাব্রি, বাঁ পায়ের শটে বাকিটা সারেন ১৭ বছর বয়সী জার্মান অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার কার্ল।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে প্রতিপক্ষের ভুল পাসে বল পেয়ে বক্সে ঢুকে জোরাল শট নেন সাকা, এক হাতে ক্রসবারের ওপর দিয়ে বল পাঠান গোলরক্ষক মানুয়েল নয়ার।

৫৮তম মিনিটে আর্সেনালের আরেকটি কর্নারে মিকেল মেরিনোর হেড পোস্টের বাইরে দিয়ে যায়। দুই মিনিট পর কাছ থেকে মোসকেরার হেড ফিরিয়ে দেন নয়ার।

৬৯তম মিনিটে দ্বিতীয়বার এগিয়ে যায় আর্সেনাল। বাঁ দিক থেকে বক্সে রিকার্দো কালাফিওরির পাস দারুণ ফিনিশিংয়ে জালে পাঠান মাদুয়েকে।

এরপর নয়ারের মারাত্মক ভুলে ৭৭তম মিনিটে ব্যবধান বাড়িয়ে বায়ার্নের ঘুরে দাঁড়ানোর পথ আরও কঠিন করে তোলেন মার্তিনেল্লি।

আর্সেনালের বক্সের কাছে বল থাকায় স্বভাবসুলভভাবে প্রায় মাঝমাঠে উঠে গিয়েছিলেন জার্মান গোলরক্ষক।

এবেরেচি এজের ক্রস দারুণ স্পর্শে নয়ারের পাশ দিয়ে বল নিয়ে এগিয়ে ফাঁকা জালে পাঠান ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। বাকি সময়ে তেমন কিছু করতে পারেনি কেউ।