আগামী নির্বাচনের পর ঢাকায় দূতাবাস খুলবে আজারবাইজান।
রবিবার (৭ ডিসেম্বর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এ তথ্য জানান বাংলাদেশে নিযুক্ত আজারবাইজানের অনাবাসিক রাষ্ট্রদূত এলচিন হুসেইনলি।
এদিন আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভের দুই কন্যা—লায়লা আলিয়েভা ও আরজু আলিয়েভা প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এটি ছিল তাঁদের প্রথম বাংলাদেশ সফর।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত এলচিন হুসেইনলি জানান, গত নভেম্বর মাসে প্রধান উপদেষ্টার অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকায় দূতাবাস খোলার এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নির্বাচনের পরে দূতাবাস স্থাপনের প্রক্রিয়া শুরু হবে, যা দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।
বৈঠকে দুই বন্ধুপ্রতিম দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক ও পরিবেশগত সম্পর্ক জোরদার, বাণিজ্য ও জ্বালানি খাতে সহযোগিতা এবং উভয় দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর উপায় নিয়ে আলোচনা হয়।
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বাকুতে তাঁর একাধিক সফর এবং গত বছরের শেষের দিকে কপ-২৯ (COP29) সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট আলিয়েভের সঙ্গে সাক্ষাতের কথা স্মরণ করেন।
তিনি বাংলাদেশ ও আজারবাইজানের মধ্যে অর্থনৈতিক ও জ্বালানি সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
হেইদার আলিয়েভ ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং আইডিয়া পাবলিক ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান লায়লা আলিয়েভা প্রধান উপদেষ্টার কাছে প্রেসিডেন্ট আলিয়েভের আন্তরিক শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন।
তিনি বন্যপ্রাণী সংরক্ষণসহ পরিবেশ খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান।
বৈঠকে জানানো হয়, লায়লা ও আরজু আলিয়েভা ঢাকায় অনাথ ও অভিভাবকহীন শিশুদের সহায়তায় নিয়োজিত একটি স্থানীয় প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেছেন।
তাঁরা জানান, হেইদার আলিয়েভ ফাউন্ডেশন ও আইডিয়া পাবলিক ইউনিয়ন বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে যৌথভাবে মানবিক, সামাজিক, যুব উন্নয়ন, স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রম এবং পরিবেশ ও প্রকৃতি সংরক্ষণে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নে আগ্রহী।
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ উপস্থিত ছিলেন। তথ্যসূত্র : বাসস


