back to top

রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে ৫ উইকেটে হারিয়ে প্রথম জয় নিশ্চিত করল ঢাকা

প্রকাশিত: ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১১:১৯

শোককে শক্তিতে রূপ দিয়ে উড়তে থাকা রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে মাটিতে নামিয়ে দিল ঢাকা ক্যাপিটালস।

৫ উইকেট ও ৭ বল হাতে রেখেই টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রথম জয় তুলে নেয় দলটি। তবে এই জয়ের সাক্ষী হয়ে থাকতে পারলেন না ঢাকার সহকারী কোচ মাহবুব আলী জাকি।

আজ শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে ৫ উইকেটে হারিয়ে প্রথম জয় নিশ্চিত করে ঢাকা ক্যাপিটালস।

ইমাদ ওয়াসিমের মিতব্যয়ী বোলিংয়ের পাশাপাশি নিয়মিত বিরতিতে উইকেট এনে দেন নাসির হোসেন, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ও সালমান মির্জা। ব্যাটিংয়ে শেষদিকের দৃঢ়তায় জয় নিশ্চিত করে ঢাকা।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে হতাশাজনক শুরু পায় রাজশাহী। ইনিংসের প্রথম বলেই সাহিবজাদা ফারহানকে হারায় তারা।

এরপর তানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্ত জুটি গড়ার চেষ্টা করলেও ঢাকার বোলাররা তা বড় হতে দেননি। নাসির হোসেনের অফ স্পিনে ১৫ বলে ২০ রান করে আউট হন তানজিদ।

গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ব্যর্থ হন ইয়াসির আলী রাব্বিও। ইমাদ ওয়াসিমের বলে পুল করতে গিয়ে শামীম হোসেন পাটোয়ারির হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি (১৫ বলে ১৩)।

ভালো শুরু পেলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি রাজশাহীর অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। তিনি ২৮ বলে ৩৭ রান করে আউট হন।

মুশফিকুর রহিম ২৩ বলে ২৪ রান করে ফিরলেও শেষদিকে মোহাম্মদ নাওয়াজের দায়িত্বশীল ২৬ বলে ২৬ রানের ইনিংসে ভর করে রাজশাহী নির্ধারিত ২০ ওভারে তোলে ১৩২ রান।

ঢাকার পক্ষে ইমাদ ওয়াসিম নেন ৩টি এবং নাসির হোসেন শিকার করেন ২টি উইকেট।

১৩৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই সাইফ হাসানকে হারিয়ে চাপে পড়ে ঢাকা। তবে উসমান খান ও আব্দুল্লাহ আল মামুনের ৩৭ রানের জুটি দলকে ম্যাচে ফেরায়।

উসমান ১৫ বলে ১৮ রান করে ফিরলেও একপ্রান্ত আগলে রাখেন মামুন। হাফ-সেঞ্চুরি মিস করে তিনি থামেন ৪৫ রানে।

অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন (১২) ও নাসির হোসেন (১৯) বড় অবদান রাখতে না পারলেও শেষদিকে শামীম হোসেন পাটোয়ারি ও সাব্বির রহমানের অবিচ্ছিন্ন জুটি ঢাকাকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেয়।

১৮ বলে ৩৬ রানের জুটিতে ম্যাচ শেষ করেন তারা। সাব্বির রহমান ১০ বলে ২১ এবং শামীম হোসেন পাটোয়ারি ১৩ বলে ১৭ রান করে অপরাজিত থাকেন।

রাজশাহীর বোলারদের মধ্যে মোহাম্মদ নাওয়াজ ছিলেন সবচেয়ে সফল। তিনি ২১ রান খরচায় নেন ৩টি উইকেট। এছাড়া তানজিম সাকিব ও সন্দীপ লামিচানে একটি করে উইকেট শিকার করেন।