back to top

বেগম জিয়ার মৃত্যু: তামিম-মুশফিকসহ জাতীয় ক্রিকেটারদের শোক

প্রকাশিত: ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১১:২৬

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ সময় সকাল ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

তার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন বাংলাদেশের সাবেক দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও ইমরুল কায়েস। শোক জানিয়েছেন মুশফিকুর রহিমও।

বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শোক জানিয়েছেন জাতীয় ক্রিকেট দলের আরও বেশ কয়েকজন খেলোয়াড়।

বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেগম জিয়ার একটি ছবি পোস্ট করেন তামিম লেখেন, ‘ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিঊন। তাঁর প্রয়াণে দেশ হারাল এক দৃঢ় নেতৃত্বের প্রতীককে। মহান আল্লাহ তাঁর রূহের মাগফিরাত দান করুন ও জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন।’

এদিকে মুশফিকুর রহিমও শোক জানিয়েছেন। তিনি লেখেন, ‘ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।’ তার সঙ্গে দোয়ার ইমোজি জুড়ে দিয়েছেন তিনি।

বাংলাদেশের সাবেক ওপেনার ইমরুল কায়েসও শোক জানিয়ে ফেসবুকে লেখেন, ‘ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। আল্লাহ তাআলা বেগম খালেদা জিয়ার মাগফিরাত নসিব করুন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন।’

এদিকে লিটন দাস লিখেছেন, ‘বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীরভাবে শোকাহত। এই শোকের সময়ে তার পরিবার, প্রিয়জন এবং জাতির প্রতি আন্তরিক সমবেদনা।’

বাংলাদেশ দলের টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত লিখেছেন, ‘ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বেগম খালেদা জিয়ার অবদান জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। আল্লাহ তাআলা যেন তাকে জান্নাত নসিব করেন।’

বাংলাদেশ দলের ওয়ানডে অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ লিখেছেন, ‘ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। মহান আল্লাহ তা’আলা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে জান্নাতের সর্বোচ্চ স্থান দিন এবং তাকে ক্ষমা করুন। তার আত্মার শান্তি এবং দেশের জন্য শক্তি কামনা করছি।’

১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিজয়ী হয়। দেশের প্রথম ও বেনজির ভুট্টোর পর মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে খালেদা জিয়া ১৯৯১ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের কাছে শপথ গ্রহণ করেন।

তিনি ১৯৯৬ সালে দ্বিতীয় এবং ২০০১ সালে তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। এ ছাড়া ১৯৯৬ ও ২০০৯ সালে জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি।