পাশাপাশি, পাকিস্তান গত বছরের ভারতের সঙ্গে সংঘাতের সময়ে বিমান বাহিনীর সাফল্যকে কাজে লাগিয়ে সামরিক সম্পর্ক জোরদার করতে চায়।
পাকিস্তানের এয়ার চিফ মার্শাল জহির আহমেদ বাবর সিধু ও বাংলাদেশের বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল হাসান মাহমুদ খান এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান সংগ্রহের বিস্তারিত বিষয় আলোচনা করেছেন। পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, বাংলাদেশকে দ্রুত ‘সুপার মুশশাক’ প্রশিক্ষণ বিমান সরবরাহের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও পূর্ণাঙ্গ প্রশিক্ষণ এবং দীর্ঘমেয়াদি সহায়তার নিশ্চয়তাও দেওয়া হয়েছে।
সাম্প্রতিক এই আলোচনা দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের নতুন একটি ইতিবাচক সূচক হিসেবে দেখা হচ্ছে। গত বছরের আগস্টে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারতে থাকা অবস্থায় ঢাকা-নয়াদিল্লি সম্পর্কের অবনতি হওয়ার পর পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে যোগাযোগ ও ঘনিষ্ঠতা বৃদ্ধি পেয়েছে।


