বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে নেটব্লকস জানায়, ইন্টারনেট বন্ধের আগে বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে ধাপে ধাপে ডিজিটাল সেন্সরশিপ জোরদার করা হচ্ছিল। সংস্থাটির মতে, এই ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট জনগণের যোগাযোগের অধিকারকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে।
জীবনযাত্রার ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়া এবং স্থানীয় মুদ্রার ব্যাপক অবমূল্যায়নের প্রতিবাদে গত ডিসেম্বরের শেষ দিক থেকে ইরানের বিভিন্ন শহরে মানুষ রাস্তায় নামতে শুরু করে। রাজধানী তেহরানসহ বড় শহরগুলোতে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।
শুক্রবার ভোরে তেহরান থেকে আল জাজিরার প্রতিবেদক তোহিদ আসাদি জানান, বৃহস্পতিবার রাত থেকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেয়। তিনি বলেন, তেহরানের একাধিক সড়ক অবরুদ্ধ করা হয় এবং বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ ঘটে।


