back to top

লেখাপড়ার মাধ্যমেই বড় কিছু অর্জন সম্ভব: আসলাম চৌধুরী

প্রকাশিত: ০১ নভেম্বর, ২০২৫ ১৮:৫৭

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক আসলাম চৌধুরী বলেছেন, রাজনীতি করে নয়, শুধু লেখাপড়ার মাধ্যমে ভারতের মতো বৃহৎ দেশে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার ইতিহাস রয়েছে। কর্মক্ষেত্রে সততা ও কৃতিত্বের মাধ্যমেই অনন্য উচ্চতায় পৌঁছানো যায়।

‘পড়ালেখার মতো জাদু পৃথিবীতে আর কিছু নেই। প্রতিদিন অন্তত সকাল-সন্ধ্যা চার ঘণ্টা মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করলে ভালো ফলাফল নিশ্চিতভাবে সম্ভব। টাকা-পয়সা বড় বিষয় নয়, ইচ্ছাশক্তি ঠিক থাকলে সাফল্য অনিবার্য’।

শনিবার (১ নভেম্বর) সন্দ্বীপ উপজেলার হাজী আব্দুল বাতেন উচ্চ বিদ্যালয়ে জেএএম সংস্থা আয়োজিত রোকেয়া-মুজিবুল স্মৃতি বৃত্তি পরীক্ষা উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সরকারি হাজী আব্দুল বাতেন কলেজের অধ্যক্ষ এসএম আবুল হাশেম। সঞ্চালনায় ছিলেন বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি সন্দ্বীপ শাখার সাধারণ সম্পাদক ফজলুল করীম।

প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন রিসোর্স টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোস্তফা।

বিশেষ অতিথি ছিলেন জেএএম সংস্থার নির্বাহী সদস্য জামিলা নাজনিন মাওয়া, মেহেরীন আনাম উজমা, সাধারণ সম্পাদক আজমাইন আদিল চৌধুরী, শিক্ষক সমিতি চট্টগ্রাম উত্তর জেলার সম্পাদক মো. মোবারক আলী, হাজী আব্দুল বাতেন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদ মাঈন উদ্দিন, শিক্ষক সমিতি সন্দ্বীপ শাখার সভাপতি জামসেদ উদ্দীন, এবং বৃত্তি পরীক্ষা প্রধান সমন্বয়ক ও জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল চট্টগ্রাম উত্তর জেলার সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আনিস আকতার টিটু।

বৃত্তি পরীক্ষার মূল সমন্বয়ক ছিলেন ব্যবসায়ী নেতা আসিফ আকতার। সহ-কেন্দ্র সচিব ছিলেন মো. জামসেদ উদ্দীন, হল সুপার এএসএম হালিম উল্যাহ, পরীক্ষা সমন্বয়ক কাজী আনোয়ার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হোসেন এবং পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. মোবারক আলী।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপি আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আবু তাহের, যুগ্ম আহ্বায়ক গাজী হানিফ, জহিরুল ইসলাম, মোস্তফা কামাল পাশা বাবুল, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুদ্দীন হোসেনসহ বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

উল্লেখ্য, জেএএম সংস্থা আয়োজিত রোকেয়া-মুজিবুল স্মৃতি বৃত্তি পরীক্ষায় সন্দ্বীপের ৩০টি বিদ্যালয় ও ১১টি মাদ্রাসা থেকে নবম শ্রেণির ৪২২ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠান শেষে বৃত্তিপ্রাপ্তদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অধ্যাপক আসলাম চৌধুরী।

এছাড়া, সাবেক শিক্ষক মো. শফিউল আলমের পরিবারকে ‘আলোকিত পরিবার সম্মাননা স্মারক’ প্রদান করে জেএএম সংস্থা।