back to top

বিশ্বকাপ জিতে বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন স্মৃতি মান্ধানা, পাত্র কে?

প্রকাশিত: ০৩ নভেম্বর, ২০২৫ ০৭:০৯

ভারতীয় নারী ক্রিকেট দল ইতিহাস গড়ে প্রথমবার বিশ্বকাপ জিতেছে। বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দে মেতে আছে গোটা দেশ!

এই বিজয়ের উচ্ছ্বাসের মাঝেই আরেকটি সুখবর এল টিম ইন্ডিয়ার ভাইস ক্যাপ্টেন স্মৃতি মন্ধানার জীবন থেকে।

জানা গেছে, স্মৃতি বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন তাঁর দীর্ঘদিনের প্রেমিক, সংগীতশিল্পী ও সুরকার পলাশ মুচ্ছলের সঙ্গে।

ভারতীয় গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী ২০ নভেম্বর ২০২৫-এ এই তারকা জুটি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হবেন।

আর বিয়ের স্থান হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে স্মৃতির হৃদয়ের সবচেয়ে কাছের জায়গা সাংলি, মহারাষ্ট্র।

স্মৃতির জীবনে সাংলির গুরুত্ব অনেক। এখানেই তাঁর ক্রিকেট জীবনের শুরু- ছোটবেলায় ব্যাট হাতে প্রথম অনুশীলন, প্রথম স্বপ্ন দেখা, সবকিছুর সাক্ষী এই শহর।

তাই নিজের জীবনের নতুন ইনিংসও এখান থেকেই শুরু করতে চান তিনি।

বিয়ের অনুষ্ঠান হবে ঘরোয়া পরিসরে, তবে আয়োজন হবে দারুণ জমজমাট— “সংগীত আর ক্রিকেটের নিখুঁত মেলবন্ধন” বলে জানিয়েছে পরিবারের ঘনিষ্ঠ সূত্র।

এই সুখবরের মাঝেই পলাশ তাঁর ইনস্টাগ্রামে বিশ্বকাপজয়ী প্রেমিকার ছবি পোস্ট করে লিখেছেন, ‘সবচেয়ে এগিয়ে আমরা ভারতবাসী।’ সেই পোস্টে নেটিজেনরা মন্তব্য করেন, ‘লাকি গাই!’

সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে পলাশও বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে হাসতে হাসতে বলেন, “শিগগিরই সে ইন্দোরের বউ হয়ে আসবে… ব্যস, এতটাই বলতে চাই।” এরপর যোগ করেন, “আমি আপনাদের হেডলাইন দিয়েই দিলাম।”

জানা যায়, স্মৃতি ও পলাশের প্রেম শুরু হয়েছিল সংগীতের মাধ্যমে। একটি রোমান্টিক গান গেয়ে পলাশই প্রথম স্মৃতিকে প্রেমের প্রস্তাব দেন।

প্রথমে সম্পর্কটি গোপন থাকলেও পরে বিশেষ দিনগুলোতে তারা একসঙ্গে ছবি শেয়ার করতে শুরু করেন ইনস্টাগ্রামে।

২০২৩ সালের জুলাই মাসে ঢাকায় বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ খেলতে আসা স্মৃতিকে সারপ্রাইজ দিতে পলাশ গোপনে বাংলাদেশে চলে আসেন, যা তখন বেশ আলোচিত ঘটনা ছিল।

৩০ বছর বয়সী পলাশ মুচ্ছল বলিউডে বেশ পরিচিত নাম। বোন পলক মুচ্ছলের অনেক জনপ্রিয় গানে সুর দিয়েছেন তিনি।

বর্তমানে ‘রাজু বাজেওয়ালা’ নামে নিজের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র পরিচালনা করছেন।

তার পরিচিত গানগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘তু যা কহে’, ‘পার্টি তো বন্তি হ্যায়’, ‘তেরা হিরো ইধার হ্যায়’। এছাড়া ‘খুশ নুমা’, ‘ও খুদা’, ‘মুসাফির’–এর মতো স্বাধীন সংগীতও শ্রোতাদের ভালোবাসা পেয়েছে।