এক-দুই বছর নয়, দীর্ঘ ১৬ বছর বা দেড় যুগ বাংলাদেশ ক্রিকেটের সারথি ছিলেন গামিনি ডি সিলভা।
আলোচনা-সমালোচনা সব সাঙ্গ করে অবশেষে তার বাংলাদেশ অধ্যায়ের ইতি। আর এই প্রবীণ কিউরেটরকে বেশ ঘটা করেই বিদায় জানিয়েছে বিসিবি।
মিরপুরে গামিনির শেষ দিন ছিল শনিবার, ১০ নভেম্বর। এদিন মিরপুরে তার হাতে বিদায়ী স্মারক তুলে দেন বোর্ড কর্তারা। দীর্ঘদিন যাদের নিয়ে কাজ করেছেন, সেই মাঠকর্মীরাও শুভেচ্ছা ও শুভকামনায় সিক্ত করেন এই লঙ্কানকে।
গত জুলাইয়ে গামিনির সাথে চুক্তির মেয়াদ আরও এক বছর বাড়িয়েছিল বিসিবি। তবে সেই চুক্তি অসম্পূর্ণ থাকতেই তাকে বিদায় জানানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
২০০৯ সালে বিসিবিতে যোগ দেন গামিনি। তার অধীনে ৩২টি টেস্ট, ১০৬টি ওডিআই ও ৬৮টি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টির জন্য মাঠ প্রস্তুত করা হয়েছে।
বড় ইভেন্টের মধ্যে ২০১১ ওয়ানডে বিশ্বকাপ, ২০১৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, ২০১৬ সালে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ, তিনটি এশিয়া কাপ এবং বিপিএলের এগারো সংস্করণের সবগুলোতে কাজ করেছেন গামিনি।
একপর্যায়ে বাংলাদেশ ক্রিকেটের অন্যতম আলোচিত চরিত্র হয়ে উঠেছিলেন এই লঙ্কান। মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের উইকেট নিয়ে সমালোচনা হলে সমালোচনা হতো গামিনিকে নিয়েও।
বর্তমানে বাংলাদেশের মাঠ ও উইকেটগুলো দেখভাল করছেন আইসিসির সাবেক কিউরেটর, বিশ্ববরেণ্য টনি হেমিং।
মূলত হেমিং আসার পর থেকেই সঙ্কুচিত হতে থাকে গামিনির কাজের পরিসর। শেষপর্যন্ত বিদায় নিলেন চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই।

