ভিয়েতনামে টানা বর্ষণে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে ৮ জন মারা গেছে। বুধবার (১৯ নভেম্বর) সরকারি প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এদিকে বন্যা পরিস্থিতি চলমান কফি সংগ্রহ মৌসুমেও বিঘ্ন ঘটাতে পারে বলে ব্যবসায়ীরা সতর্ক করেছেন।
এক প্রতিবেদনে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, শনিবার রাত থেকে মধ্য ভিয়েতনামের বিভিন্ন অঞ্চলে ১,১০০ মিলিমিটারেরও বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে।
এই অঞ্চলটি দেশের অন্যতম প্রধান কফি উৎপাদন এলাকা। তবে এলাকা ঝড়-বন্যার প্রবণতার জন্যও পরিচিত।
সরকার জানায়, নিহতদের মধ্যে ছয়জন একটি বাসের যাত্রী ছিরেন। রবিবার সন্ধ্যায় দা লাত থেকে না চ্যাং যাওয়ার পথে একটি ভূমিধসে তারা নিহত হন।
আরও সাতজন নিখোঁজ রয়েছেন, যাদের মধ্যে তিনজন দা নাংয়ে একটি ভূমিধসের নিচে চাপা পড়েছেন।
প্রদেশভিত্তিক এক কফি ব্যবসায়ী বলেন, ডাক লাক প্রদেশের নিচু এলাকাগুলোর কিছু কফি খামার এখন গভীর বন্যার পানিতে ডুবে আছে।
ডাক-লাকের আরেকজন ব্যবসায়ী জানান, বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় কফি সংগ্রহ ধীর হয়ে গেছে।
তিনি আরও বলেন, কৃষকেরা এখন পর্যন্ত মাত্র ১০-১৫ শতাংশ কফির কাঁচা বীচি সংগ্রহ করতে পেরেছেন এবং এগুলো শুকাতে সূর্যালোকের খুব প্রয়োজন।
ভিয়েতনাম নিউজ এজেন্সি জানায়, বন্যার কারণে শত শত পরিবারকে রাতে ঘরবাড়ি থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। জিয়া লাই প্রদেশে বুধবার স্কুল বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছে কর্তৃপক্ষ।
জাতীয় আবহাওয়া সংস্থা বুধবারও আরও বন্যা ও ভূমিধসের সতর্কতা জারি করেছে। সংস্থাটি জানায়, অঞ্চলে ভারী বর্ষণ অব্যাহত থাকবে।
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, মধ্য ভিয়েতনামের বিভিন্ন গ্রামের ঘরবাড়ি ছাদ পর্যন্ত পানিতে ডুবে আছে এবং আটকে পড়া বাসিন্দারা সাহায্যের জন্য আহ্বান জানাচ্ছেন।
