back to top

সেবাগ্রহীতাদের সাথে উত্তম আচরণ করতে হবে”-ডিসি জাহিদুল মিঞা

প্রকাশিত: ২২ নভেম্বর, ২০২৫ ১৪:৩৬

চট্টগ্রামে গ্রাম আদালত কার্যক্রমের অর্ধ-বার্ষিক অগ্রগতি পর্যালোচনা ও করণীয় শীর্ষক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সরকারের ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ইউএনডিপি বাংলাদেশের সহায়তায় বাস্তবায়নাধীন বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়) প্রকল্পের উদ্যোগে এবং চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের চট্টগ্রামের আয়োজনে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

আজ শনিবার সকাল ১০টায় চট্টগ্রাম টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (পিটিআই) সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার চট্টগ্রামের উপপরিচালক মো. শরীফ উদ্দীন।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক(ডিসি) ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, “সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনের জন্য ইউনিয়ন পরিষদে আগত সেবাপ্রত্যাশীরা যেন ভালো আচরণ ও প্রয়োজনীয় সেবা পান তা নিশ্চিত করতে হবে। কর্মকর্তাদের আরও মনোযোগী, মানবিক ও সেবামুখী হতে হবে।”

তিনি আরও বলেন,“ছোট ছোট বিরোধ স্থানীয় পর্যায়ে নিষ্পত্তি না হলে জনগণকে বারবার বিভিন্ন অফিস-আদালতে ঘুরতে হয়। এ কষ্ট লাঘব করতে স্থানীয় পর্যায়ে বিচারিক সেবা যথাযথভাবে কার্যকর করতে হবে।”

সেবা প্রদানে আন্তরিকতা, নৈতিকতা, মানবিকতা এবং ইতিবাচক মনোভাব বজায় রাখার জন্য জেলা প্রশাসক সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশনা প্রদান করেন।

সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়) প্রকল্পের বাস্তবায়ন সহযোগী সংস্থা ইপসা’র সহকারী পরিচালক ফারহানা ইদ্রিস।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সমাজসেবা অধিদপ্তর চট্টগ্রামের উপপরিচালক ফরিদুল আলম।

সভাপতির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার চট্টগ্রামের উপপরিচালক মো. শরীফ উদ্দীন বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ মাঠ পর্যায়ে সরকারের নীতিমালা বাস্তবায়নের প্রধান প্রতিষ্ঠান।

জনগণ যেন পরিষদের মাধ্যমে সরকারি সেবা সহজে পায় সে জন্য সেবা প্রদানের পরিবেশ আরও উন্নত করা প্রয়োজন।

ছোটখাটো অপরাধ ও বিরোধ নিষ্পত্তিতে চেয়ারম্যানদের প্রদত্ত আইনগত ক্ষমতার যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করারও আহ্বান জানান তিনি।

সভায় জানুয়ারি থেকে অক্টোবর ২০২৫ পর্যন্ত চট্টগ্রাম জেলার ১৯১টি ইউনিয়নের ১০ মাসের অগ্রগতি প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন প্রকল্পের জেলা ম্যানেজার সাজেদুল আনোয়ার ভূঁঞা।

অগ্রগতি উপস্থাপন পরবর্তী মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন কর্ণফুলী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা সজীব কান্তি রুদ্র, সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফখরুল ইসলাম, ছদাহা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা নুরুল আবছার এবং লেলাং ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা খায়রুল আসলাম।

সভায় চট্টগ্রাম জেলার ১৫টি উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, ১৯১টি ইউনিয়নের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং প্রকল্পের উপজেলা সমন্বয়কারীগণ উপস্থিত ছিলেন।