back to top

নোয়াখালীতে তরুণকে কুপিয়ে হত্যা,আটক ২

প্রকাশিত: ২৭ নভেম্বর, ২০২৫ ০৮:৫৩

নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় এক তরুণ হত্যা মামলা ঘিরে দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় তিনজনকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার সকালে কবিরহাট থানার সামনে এ ঘটনা ঘটে।

এর আগে বুধবার সন্ধ্যায় আনোয়ার হোসেন সাব্বির (২২) নামে এক তরুণকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুজনকে আটক করেছে পুলিশ।

সকালে এই ঘটনার দুই পক্ষ থানার সামনে একে অন্যের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়ায়।

কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহীন মিয়া জানান, বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার ধানশালিক ইউনিয়নের চর গুল্যাখালী গ্রামের পান বেপারী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

পরে গুরুত্বর আহত অবস্থায় সাব্বিরকে ঢাকা নেওয়ার পথে দিবাগত রাত ২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

নিহত সাব্বির চাপরাশিরহাট ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের রামেশ্বপুর গ্রামের মো. লিটনের ছেলে।

আটক দুজন হলেন ধানশালিক ইউনিয়নের পান বেপারী বাড়ির আব্দুর সোবহান শামীম (৩০) ও তার স্ত্রী ফারহানা আক্তার (২৩)।

সাব্বিরের বন্ধু আনোয়ার হোসেন শাকিল জানান, কয়েক দিন আগে পারিবারিক বিরোধের জেরে তার খালা মানোয়ারা বেগমের খেতের লাউগাছ গোপনে কেটে ফেলেন দেবর শামীম।

বিষয়টি স্থানীয়ভাবে জানানো হলেও সমাধান হয়নি। বুধবার বিকালে আবার মরিচের চারা কাটার সময় শামীমকে হাতেনাতে দেখে ফেললে তিনি উল্টো মনোয়ারাকে মারধর করেন।

খবর পেয়ে শাকিল ও সাব্বির গিয়ে আহত মানোয়ারাকে হাসপাতালে পাঠান।

পরে বাড়ি থেকে ফেরার পথে শামীম তাদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে শামীম হাতে থাকা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে সাব্বিরের মাথায় কোপ দেন।

স্থানীয়রা সাব্বিরকে উদ্ধার করে কবিরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেন। পরে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে হয়ে ঢাকায় নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

ওসি শাহীন মিয়া বলেন, পারিবারিক কলহের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। অভিযুক্তদের ধরতে অভিযান চলছে। তদন্তের পর বিস্তারিত জানানো হবে।