back to top

এ সপ্তাহের বাজারে ঊর্ধ্বমুখী নিত্য পণ্যের দাম, ক্রেতাদের ক্ষোভ

প্রকাশিত: ০৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০৭:৫৭

শীতকালীন সবজিতে সেজে উঠেছে বাজার। সরবরাহ বাড়ায় মাস খানেক পর প্রায় সকল সবজিতে দাম কমেছে ১৫-২০টাকা।

তবে এক সপ্তাহের ব্যবধানে ফের বেড়েছে পেয়াজের দাম। প্রতি কেজি পেয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৪০-১৫০ টাকায়।

বিক্রেতারা বলছেন মজুদকৃত পেয়াজ শেষের দিকে থাকায় দাম এমন উর্ধ্বমুখী। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের এমন বাড়তি দামে নাখোশ ক্রেতারা, প্রকাশ করছেন ক্ষোভ।

সাপ্তাহিক ছুটির দিনে চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন বাজারে গেল সপ্তাহের তুলনায় ক্রেতাদের আনাগোনা অনেকটাই বেশি।

একদিকে শীতকালীন সবজিতে বাজার ঠাসা, আরেকদিকে কমেছে দাম। প্রায় সব সবজির দাম কেজিতে কমেছে ১৫-২০ টাকা। তবে দাম কমলেও গেল বছরের তুলনায় সবজির বাজারদর এখনও বাড়তি।

এই সপ্তাহে শীতকালীন সবজি শিম কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৭০-৮০ টাকায়, নতুন আলু ৬০, টমেটো, কাচামরিচ, গাজর, বরবটি ও মটরশুটি ৮০, মুলা ও পেপে ৪০টাকায়। এদিকে ফুলকপি ও বাধাকপি প্রতি পিস বিক্রি হচ্ছে ৩৫-৪০ এবং লাউ ৭০ টাকায়।

যদিও দাম হ্রাসের এই পরিমাণে নাখোশ ক্রেতারা। বলছেন, শীতকালীন সবজির পর্যাপ্ত ফলন হওয়ায়, দাম আরও কমানো প্রয়োজন।

এদিকে আবারও বেড়েছে পেয়াজের দাম। গেল সপ্তাহের তুলনায় কেজিতে ৩০ টাকা বেড়ে ১৪০-১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বিক্রেতারা বলছেন, মজুদকৃত পেয়াজ শেষের দিকে বলেই এমন বাড়তি দাম। এদিকে আলুর দাম গত সপ্তাহের মতোই রয়েছে।

বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি দ্বিগুন পরিমাণে হলেও মূল্য হ্রাসের ক্ষেত্রে সেই পরিমান তুলনামূলক অনেকটাই কম বলে অভিযোগ ক্রেতাদের।

এক্ষেত্রে বাজারদর নিয়ন্ত্রণে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে মনে করছেন ভোক্তারা।

এদিকে গত সপ্তাহের মতোই স্থিতিশীল ডিম ও মুরগীর দাম। ডিম ডজন প্রতি বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকায়। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৫০ টাকা, সোনালি মুরগি ২৩০-২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে মাছের বাজারে আগুন। দাম বেড়ে কেজি প্রতি রুই ৩৫০, কাতল ৫০০-৬০০, তেলাপিয়া ২২০, চিংড়ি ৮০০, পাংগাস ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।