back to top

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে থাই রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

প্রকাশিত: ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৩:৩২

বাংলাদেশে নিযুক্ত থাইল্যান্ডের নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত থিতিপর্ণ চিরাসাওয়াদি রোববার (১৪ ডিসেম্বর) রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

সাক্ষাতে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, সামুদ্রিক যোগাযোগ, অনলাইন জালিয়াতি প্রতিরোধ, বহুপাক্ষিক সহযোগিতা এবং জনগণ-থেকে-জনগণের যোগাযোগ জোরদারসহ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূস থাইল্যান্ডের সঙ্গে তার দীর্ঘ সম্পর্কের কথা স্মরণ করে বলেন, রাষ্ট্রদূতের দায়িত্বকালে দুই দেশের সম্পর্ক আরও গভীর হবে বলে তিনি আশাবাদী।

তিনি আসিয়ানভুক্ত হওয়ার অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্যোগের কথা পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, ১১ সদস্যের এই আঞ্চলিক জোট বৈশ্বিক অর্থনীতি ও বাণিজ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

বাংলাদেশ ইতোমধ্যে আসিয়ানের সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনার হওয়ার আবেদন করেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন এবং এ বিষয়ে থাইল্যান্ডের সমর্থন প্রত্যাশা করেন।

“আমরা বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। এটি দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াকে সংযুক্ত করবে,” বলেন প্রধান উপদেষ্টা।

থাই রাষ্ট্রদূত জানান, বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে আলোচনা শুরুর বিষয়ে ব্যাংকক আগ্রহী, যা বাংলাদেশে থাই বিনিয়োগ বাড়াবে এবং দুই দেশের বাণিজ্য সম্প্রসারণে সহায়ক হবে।

তিনি আরও বলেন, থাইল্যান্ডের রানং বন্দর ও বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দরের মধ্যে সরাসরি শিপিং রুট চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

আগামী ফেব্রুয়ারিতে দুই দেশের শিপিং কর্তৃপক্ষের মধ্যে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শেষে মার্চ থেকে এ সেবা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টা বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য আরও বেশি ভিসা প্রদানের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।

তিনি বলেন, চিকিৎসা, ব্যবসা, শিক্ষা ও পর্যটনের উদ্দেশ্যে থাইল্যান্ডে বাংলাদেশিদের যাতায়াত ক্রমেই বাড়ছে।

সাক্ষাতে এসডিজি সমন্বয়ক ও সিনিয়র সচিব লামিয়া মোরশেদ উপস্থিত ছিলেন।