back to top

চবি ভর্তি পরীক্ষায় দুই শিক্ষার্থী অসুস্থ, পরীক্ষা দিলেন মেডিকেলে

প্রকাশিত: ০৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৮:৩৩

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের ‘ডি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা দিতে এসে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন দুই নারী শিক্ষার্থী।

তাৎক্ষণিকভাবে তাঁদের বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারে নিয়ে বিশেষ বিবেচনায় সেখানেই পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকালে একজন শিক্ষার্থী পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশের আগে এবং অপরজন কেন্দ্রে প্রবেশের পর অসুস্থ হয়ে পড়েন।

জানা যায়, দুই নারী শিক্ষার্থী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁদের মধ্যে একজন একাধিকবার বমি করতে থাকেন।

তবে কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা জানান, রাতের পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া এবং খাবার না খাওয়ার কারণেই তাঁদের এ শারীরিক সমস্যা দেখা দিয়েছে।

অসুস্থ শিক্ষার্থীদের মধ্যে চট্টগ্রাম মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী কোহিনূর আক্তারের পরীক্ষা কেন্দ্র ছিল জীববিজ্ঞান অনুষদে। তিনি পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশের পর অসুস্থ হয়ে পড়লে চাকসু প্রতিনিধিরা প্রশাসনের সহায়তায় তাঁকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারে নিয়ে যান।

অপর শিক্ষার্থী রামগতি আহমদিয়া ডিগ্রি কলেজের সাদিয়া আক্তারের পরীক্ষা কেন্দ্র ছিল নতুন কলা ভবন (শহীদ হৃদয় তরুয়া ভবন)। তিনি কেন্দ্রে প্রবেশের আগেই অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁর স্বামী তাঁকে মেডিকেলে নিয়ে যান।

পরে বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে অবগত করা হলে সেখানে উপস্থিত হন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যদ্বয়। অতঃপর বিশেষ ব্যবস্থাপনায় সেখানেই তাঁদের পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়।

অসুস্থ শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন ও অধ্যাপক ড. মঈনুদ্দিন।

চাকসুর পক্ষ থেকে অসুস্থ পরীক্ষার্থীদের দেখভাল করছিলেন সহ-ছাত্রীকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদাউস রিতা।

তিনি বলেন, “একজন পরীক্ষার্থী জীববিজ্ঞান অনুষদে অসুস্থ হয়ে পড়লে চাকসুর সহায়তায় তাঁকে মেডিকেলে নিয়ে আসা হয়। আরেকজনের পরীক্ষা কেন্দ্র ছিল নতুন কলা ভবনে।

তিনি পরীক্ষায় প্রবেশের আগেই অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকেও মেডিকেলে আনা হয়। পরে দুইজনকে চিকিৎসা দিয়ে প্রশাসনের সহায়তায় পরীক্ষা নেওয়া হয়। তাঁরা সুস্থভাবেই তাঁদের পরীক্ষা সম্পন্ন করেছেন।”

বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারের সিনিয়র মেডিকেল অফিসার ডা. সাঈদা আক্তার শাহনাজ বলেন, “খাবার না খাওয়া এবং রাতের পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।

তাঁরা বেশি পরিমাণ বমি করেছেন। আমরা তাঁদের বমি প্রতিরোধক ওষুধ দিয়েছি।”