ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৫ আসন থেকে ভোটের লড়াইয়ে অংশ নিতে মোট ১০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন।
চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলা ও নগরীর ১ ও ২ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত চট্টগ্রাম-৫ সংসদীয় এলাকার ভোটে অংশ নিতে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের তথ্য যাচাই-বাছাই শেষে ৫ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়।
এদের মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, ইসলামীক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মাওলানা রফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মাওলানা নাছির উদ্দীন মুনির, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাওলানা মতিউল্লাহ নুরী, বাংলাদেশ লেবার পার্টির মো. আলাউদ্দিনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
তবে আসনটি থেকে জাতীয় পার্টির ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, স্বতন্ত্র প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা এসএম ফজলুল হক ও ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা এবং ইমাম উদ্দিন রিয়াদের মনোনয়ন অবৈধ বলে জানানো হয়।
এছাড়া বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় পরিষদের আইন উপ-কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোখতার আহমদ সিদ্দিকীর মনোনয়নপত্র অপেক্ষামান তালিকায় আছে বলে জানানো হয়।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) দুপুরে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের দিনে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়া উদ্দিন এ ঘোষণা দেন।
হলফনামার সঙ্গে জমা দেওয়া দলীয় মনোনয়নপত্রের স্বাক্ষরের সঙ্গে নির্বাচন কমিশন থেকে পাঠানো দলীয় মনোনয়নপত্রের স্বাক্ষরের মিল না থাকায় আনিসুল ইসলামের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।
স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ১ শতাংশ ভোটারের যে সই জমা দিতে হয়, সেখানে গড়মিল পাওয়ায় ফজলুল হক ও সাকিলা ফারজানার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
এদিকে সকালে বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে একদল লোক জড়ো হয়ে জাতীয় পার্টির নেতা আনিসুল ইসলামের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন। এ সময় কার্যালয়ের সামনে পুলিশ পাহারা জোরদার করা হয়।
মনোনয়নপত্র যাচাইকালে জাতীয় পার্টির প্রার্থী আনিসুল ইসলাম মাহমুদের পক্ষে থাকা এক আইনজীবী অভিযোগ করেন, আনিসুল ইসলাম মাহমুদের প্রস্তাবক ও সমর্থনকারীকে সম্মেলনকক্ষে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়েছে।
