back to top

ইশতেহারে দলগুলোকে সংস্কারের বিষয়টি স্পষ্ট করতে হবে

প্রকাশিত: ০৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১১:১৫
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) এর সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, নির্বাচনী ইশতেহারে রাজনৈতিক দলগুলোকে ১১টি সংস্কার কমিশনের প্রস্তাব কিভাবে বাস্তবায়ন করা হবে তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।
যতক্ষণ নাগরিকরা জানবে না কোন দল কোন সংস্কারের প্রস্তাব গ্রহণ করছে, ততক্ষণ ভোটাধিকার প্রয়োগে জনগণ বিভ্রান্ত হবে।শনিবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত ‘গণ–অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষায় কেমন নির্বাচনী ইশতেহার চাই?’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

বদিউল আলম বলেন, সংসদ সদস্যদের স্থানীয় উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে যুক্ত না করা অসাংবিধানিক এবং গণতান্ত্রিক শাসনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

নির্বাচনী ইশতেহার সুশাসন ও স্থায়ী উন্নয়নের পথ দেখানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার।

শেখ হাসিনা পালিয়ে গেলেও দেশে স্বৈরাচারী ব্যবস্থা রয়ে গেছে, যে কারণে কাঠামোগত সংস্কার দরকার ও ভারসাম্য সৃষ্টির প্রয়োজন জানিয়ে তিনি বলেন, এই নির্বাচনের মাধ্যমে যাতে দেশে গণতন্ত্রের উত্তরণ ঘটে সেটি নিশ্চিত করতে হবে। রাজনৈতিক সংগঠনের আর্থিক লেনদেনের স্বচ্ছতার প্রতিও জোর দেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে দেশে দুর্নীতি প্রতিরোধ করতে দুদককে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঘোষণার দাবিও জানানো হয়। এছাড়া নারীর স্বাধীনভাবে চলাফেরা করার সুযোগ ও নারীর ক্ষমতায়নে রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি বিষয়েও বলা হয়।নির্বাচনী ইশতেহারে পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন ও বৈশ্বিক উষ্ণতার বিষয়টি বিবেচনাতে রাখার বিষয়ে জোর দেন বদিউল আলম।নির্বাচনী ইশতেহারে প্রতিটি দলের প্রতিশ্রুতি স্পষ্ট থাকলে নাগরিকরা তাদের ভোটাধিকার যথাযথভাবে প্রয়োগ করতে পারে বলেও মনে করেন তিনি।