back to top

শিক্ষার্থীরা প্রতিযোগিতামুখী হলে তাদের জ্ঞান বুদ্ধির বিকাশ ঘটবে

মাইজভাণ্ডারী একাডেমির সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা উদ্বোধন

প্রকাশিত: ০৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:১১

প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এস এম নসরুল কদির বলেছেন, বর্তমান বিশ্বে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে টিকে থাকতে হলে নিজের স্বকীয়তা ও শ্রেষ্ঠত্বের জানান দিতে হবে।

শিশু-কিশোরদের মাঝে শিক্ষাজীবন থেকেই প্রতিযোগিতার মনোভাব সৃষ্টি করতে পারলে তারা বড় হয়ে নিজের অবস্থান পাকাপোক্ত করতে পারবে।

বলিষ্ঠ সম্ভাবনাময় জীবন গড়তে শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রতিযোগিতার পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। এক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখছে মাইজভাণ্ডারী একাডেমি।

সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের অন্যতম মঞ্চ মাইজভাণ্ডারী একাডেমির শিশু-কিশোর সমাবেশ।

উপাচার্য বলেন, আজ শিক্ষা বা ব্যবসা সবক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা চলছে। শিক্ষার্থীরা প্রতিযোগিতামুখী হলে তাদের জ্ঞান বুদ্ধির বিকাশ ঘটবে। কর্মক্ষেত্রেও তারা সফল হতে পারবে।

বাংলাদেশে প্রবর্তিত ত্বরিকা, ত্বরিকায়ে মাইজভাণ্ডারীয়ার প্রবর্তক গাউসুল আযম হযরত মাওলানা শাহ্ সুফি সৈয়দ আহমদ উল্লাহ্ মাইজভাণ্ডারী (ক.)’র দ্বিশততম জন্মবার্ষিকী ও ১২০তম বার্ষিক উরস শরিফ উপলক্ষে শাহানশাহ্ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (ক.) ট্রাস্টের উদ্যোগে ১০ দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসাবে মাইজভাণ্ডারী একাডেমি আয়োজিত দেড়যুগপূর্তি শিশু-কিশোর সমাবেশ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপাচার্য এস এম নসরুল কদির প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

চট্টগ্রাম মিউনিসিপ্যাল মডেল স্কুল মাঠে শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। ক্বিরাত, হামদ্/না’ত, মাইজভাণ্ডারী সংগীত, নজরুল সংগীত, রবীন্দ্র সংগীত, কবিতা আবৃত্তি, দেশাত্মবোধক গান, উপস্থিত বক্তৃতা, কনটেন্ট রাইটিং, চিত্রাংকন, আইডিয়া হান্ট ও সীমিত চলচ্চিত্র, ফটোগ্রাফিসহ মোট ১৯টি ইভেন্টে প্রায় পাঁচ সহহস্র্রাধিক শিশু কিশোর অংশগ্রহণ করেন।

সকালে বেলুন ও কবুতর উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এস এম নসরুল কদির। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শিশু কিশোর সমাবেশ উদযাপন পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক এইচ এম রাশেদ খান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য মাইজভাণ্ডারী একাডেমির জ্ঞান ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশে নেওয়া বহুমুখী পদক্ষেপের প্রশংসা করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন শাহানশাহ্ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (ক.) ট্রাস্টের সচিব অধ্যাপক এ এম ওয়াই এমডি জাফর।

তিনি বলেন, বিশ^অলি শাহানশাহ্ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (ক.) সহ মাইজভাণ্ডারী মহাত্মাদের আদর্শে শিশু-কিশোরদের আলোকিত জীবন গড়তে হবে।

আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনে সমৃদ্ধ দেশ ও সুন্দর পৃথিবী গড়ে তুলবে। তাদের জ্ঞান ও প্রতিভা বিকাশে মাইজভাণ্ডারী একাডেমি অবদান রাখছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

গেস্ট অব অনার ছিলেন, মিউনিসিপ্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ শাহেদুল কবির চৌধুরী, চট্টগ্রাম কিডনি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী কামালুর রহমান, জেলা শিল্পকলা একাডেমির কালচারাল অফিসার সৈয়দ মোহাম্মদ আয়াজ মাবুদ, প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক মীর মোহাম্মদ তরিকুল আলম।

উপস্থিত ছিলেন শিশু কিশোর সমাবেশ উদযাপন পরিষদের উপদেষ্টা মো. সাখাওয়াত হোসেন বাবর, সমন্বয়ক এম মাকসুদুর রহমান চৌধুরী হাসনু, মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান আশরাফ, নুরুল করিম নুরু, আশরাফ উদ্দিন সিদ্দিকী, এইচ আর মেহবুব জিকো, আরেফিন রিয়াদ, আবুল মনছুর, নাছির উদ্দিন, সদস্য মঈন উদ্দিন ইমন, আহসানউল্লাহ চৌধুরী বিভন, বিপ্লব দে পার্থ, আরিফুল ইসলাম, ডা. কৌশিক সাইমন শুভ, জয়নাল আবেদিন জয়, জাফর ইকবাল প্রমুখ। বিভিন্ন ইভেন্টে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন, আবদুর রহিম, সাইফুদ্দিন মাহমুদ চৌধুরী, জয়ন্তী লালা, আবদুল আজিজ, মোহাম্মদ হোসেন, ইকবাল হায়দার চৌধুরী, কল্যাণী ঘোষ, আবদুর রহিম, শিমুল শীল, সিরাজুল ইসলাম আজাদ, শোয়েব ফারুকী, দিদারুল আলম চৌধুরী, মোস্তাফিজুর রহমান, আবু সালেহ, আয়েশা হক শিমু, জসিম উদ্দিন খান, সৈয়দ আরিফ মঈনুদ্দিন, মোজাহেদুল ইসলাম, রেখা নাজনিন, ফারুখ তাহের, প্রণব চৌধুরী, সামসুল হায়দার তুষার, দিপেন চৌধুরী, সুপর্ণা রায় চৌধুরী, সলিল চৌধুরী, সেঁজুতি দে, উম্মে কাউসার নিঝুম, নয়ন শীল, অজয় শীল, জান্নাতুল ফেরদৌস, আয়েশা হক শিমু, শাহরিয়ার হান্নান, অরুপা বড়–য়া, মাওলানা মুজিবুল হক, মাওলানা জিয়াউল হক কাদেরি, মাওলানা সোহেল উদ্দিন প্রমুখ।