back to top

বিশ্ববাজারে বাড়লো স্বর্ণের দাম

প্রকাশিত: ০৫ নভেম্বর, ২০২৫ ১৫:৩৭

এক সপ্তাহের সর্বনিম্ন দামে নেমে আসার পর বুধবার আবারও স্বর্ণের দাম বেড়েছে। আগের সেশনে বড় ধরনের পতনের পর এবার বাজারে ক্রেতারা সুযোগ বুঝে কেনাকাটায় ফিরেছেন।

একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বেসরকারি চাকরির তথ্য প্রকাশের দিকেও দৃষ্টি রাখছে বাজার, যা ভবিষ্যতের সুদহার কমানোর ইঙ্গিত দিতে পারে।

আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট গোল্ডের দাম বেড়েছে ০ দশমিক ৯ শতাংশ, প্রতি আউন্স ৩ হাজার ৯৬৬ দশমিক ৬৫ ডলারে।

মঙ্গলবার এটি ১ দশমিক ৫ শতাংশের বেশি কমে ৩০ অক্টোবরের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছিল। ডিসেম্বর সরবরাহের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচারও বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রতি আউন্স ৩ হাজার ৯৭৫ দশমিক ৩০ ডলারে।

ডলার সূচক আগের সেশনে ছোঁয়া তিন মাসের উচ্চতার নিচে স্থিতিশীল ছিল।

রিলায়েন্স সিকিউরিটিজের জ্যেষ্ঠ মুদ্রা বিশ্লেষক জিগার ত্রিবেদী বলেন, “মূলত দাম কমার পর সুযোগ বুঝে কেনাকাটা এবং আর্থিক বাজারে ঝুঁকিপ্রবণতা কমে যাওয়ার ফলে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের চাহিদা বেড়েছে।”

এদিকে, এশীয় শেয়ারবাজারে আগের রাতের ওয়াল স্ট্রিটের ধসের প্রভাব পড়েছে। বিনিয়োগকারীদের আস্থা কমায় লেনদেনের শুরুতেই সূচকগুলো নিচে নেমে যায়।

ত্রিবেদী আরও বলেন, “এই মুহূর্তে বছরের শেষ দিকে আরেক দফা সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা কমে যাওয়ায় স্বর্ণের ওপর কিছুটা চাপ থাকতে পারে।

যদি এডিপি চাকরির তথ্য প্রত্যাশার চেয়ে ভালো আসে, তবে দাম ৩ হাজার ৯০০ ডলার পর্যন্ত নামতে পারে।”

গত সপ্তাহে ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার কমালেও চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েল ইঙ্গিত দিয়েছেন, এ বছর এটি হতে পারে শেষ হার কমানো।

বর্তমানে বাজারে ডিসেম্বর মাসে আরেক দফা হার কমানোর সম্ভাবনা ৬৯ শতাংশে নেমে এসেছে, যা আগে ছিল ৯০ শতাংশের বেশি।

সরকারি কার্যক্রম আংশিক বন্ধ থাকায় যুক্তরাষ্ট্রের অনেক অর্থনৈতিক তথ্য প্রকাশ বন্ধ রয়েছে। ফলে বিনিয়োগকারীরা এখন বেসরকারি প্রতিবেদন, বিশেষ করে এডিপি ন্যাশনাল এমপ্লয়মেন্ট রিপোর্টের দিকে নজর রাখছেন।

অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও নিম্ন সুদের পরিবেশে সাধারণত স্বর্ণের দাম ভালো থাকে।

গত ২০ অক্টোবর স্বর্ণের প্রতি আউন্স ৪,৩৮১.২১ ডলারে পৌঁছে রেকর্ড করেছিল। এরপর থেকে দাম কমেছে প্রায় ১০ শতাংশ।

অন্যদিকে, স্পট সিলভারের দাম বেড়েছে ১ দশমিক ১ শতাংশ, দাঁড়িয়েছে প্রতি আউন্স ৪৭ দশমিক ৬১ ডলারে।

প্লাটিনামের দাম বেড়েছে ০ দশমিক ৪ শতাংশে ১ হাজার ৫৪১ দশমিক ১৭ ডলারে এবং প্যালাডিয়ামের দাম ০ দশমিক ৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ১ হাজার ৩৯৮ দশমিক ২৮ ডলার।